রুবি, মুকুন্দপুর, সায়েন্স সিটি: বাইপাস বেল্টের পুজো
ই এম বাইপাসের দু’পাশের পাড়াগুলো — মুকুন্দপুর, আনন্দপুর, পঞ্চান্নগ্রাম, কালিকাপুর, ট্যাংরা — পুজোর গাইডবইয়ে সচরাচর জায়গা পায় না। অথচ কমলা লাইন মেট্রো চালু হওয়ার পর এই বেল্টটাই এখন শহরের সবচেয়ে সহজে পৌঁছনো যায় এমন এলাকা।
কমলা লাইনই চাবিকাঠি
কবি সুভাষ থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত ৯টা স্টেশন, পুরোটাই বাইপাসের সমান্তরালে। কোন স্টেশনে কোন পাড়া:
| স্টেশন | যে এলাকা |
|---|---|
| সত্যজিৎ রায় | অজয়নগর, হাইল্যান্ড পার্ক |
| জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী | মুকুন্দপুর, পূর্বালোক |
| কবি সুকান্ত | কালিকাপুর, গরফা, হালতু |
| হেমন্ত মুখোপাধ্যায় | রুবি, আনন্দপুর, কসবা, বোসপুকুর |
| ভিআইপি বাজার | পঞ্চান্নগ্রাম, নোনাডাঙা, রাজডাঙা |
| ঋত্বিক ঘটক | সায়েন্স সিটি, টপসিয়া |
| বরুণ সেনগুপ্ত | বেলেঘাটা মেট্রোপলিটন |
এই বেল্টে যা দেখবেন
| 1 | মুকুন্দপুর পুজো গুচ্ছ মুকুন্দপুর · হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবি) — 1.8 কিমি |
| 2 | আনন্দপুর পুজো গুচ্ছ আনন্দপুর–রুবি · হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবি) — 1.5 কিমি |
| 3 | পঞ্চান্নগ্রাম পুজো গুচ্ছ পঞ্চান্নগ্রাম · ভিআইপি বাজার — 1.2 কিমি |
| 4 | সায়েন্স সিটি–চিংড়িঘাটা গুচ্ছ সায়েন্স সিটি–চিংড়িঘাটা · ভিআইপি বাজার — 1.5 কিমি |
| 5 | ট্যাংরা পুজো গুচ্ছ ট্যাংরা · বেলেঘাটা — 1.6 কিমি |
| 6 | কালিকাপুর পুজো গুচ্ছ কালিকাপুর–রুবি · হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবি) — 1.4 কিমি |
| 7 | বোসপুকুর শীতলা মন্দির কসবা · হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবি) — 2.5 কিমি থিম: ‘চুপ’ — নীরবতাকে নিয়ে ভাবনা, ২০০১-এ ভাঁড় দিয়ে মণ্ডপ গড়া সেই পুজোর। ৭৭তম বর্ষ। (আগের রিপোর্টে ‘ধ্বংস’ বলা হয়েছিল।) |
| 8 | বোসপুকুর তালবাগান কসবা · হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবি) — 2.5 কিমি |
| 9 | রাজডাঙা নবউদয় সংঘ রাজডাঙা · ভিআইপি বাজার — 1.5 কিমি |
| 10 | মেট্রোপলিটন দুর্গাবাড়ি বেলেঘাটা মেট্রোপলিটন · বরুণ সেনগুপ্ত — 1 কিমি |
বাসে এলে
বাইপাসে উল্টোডাঙা থেকে গড়িয়া পর্যন্ত সব বাস চলে। যাচাই করা রুট নম্বরের মধ্যে আছে 3C/1 (নাগেরবাজার–আনন্দপুর), AC 37 (বারাসত–গড়িয়া), AC 37C (এয়ারপোর্ট–গড়িয়া) আর AC 50A (গড়িয়া–রাজচন্দ্রপুর)। নামার মোড়: রুবি ক্রসিং, চিংড়িঘাটা, সায়েন্স সিটি, মুকুন্দপুর।
রুট নম্বর মাঝে মাঝে বদলায়। অ্যাপে প্রতিটি মণ্ডপের কার্ডে “বাস ও মেট্রো রুট” বোতাম আছে — সেটা Google-এর লাইভ ট্রানজিট ডেটা খোলে, তাই তখনকার আসল বাস নম্বর ও সময় দেখা যায়।
কেন এই এলাকায় যাওয়া সহজ
- ভিড় উত্তর বা দক্ষিণের তুলনায় কম, লাইনও ছোট।
- রাস্তা চওড়া — বয়স্ক বা শিশুদের নিয়ে ঘোরা সহজ, স্ট্রোলারও চলে।
- আবাসনের পুজোগুলোতে (যেমন বেলেঘাটা মেট্রোপলিটন) ভিতরে বসার জায়গা থাকে।
- খাওয়ার জায়গা অঢেল — ট্যাংরার চায়নাটাউন, রুবির রেস্তোরাঁ, কসবার বিরিয়ানি।