দক্ষিণ কলকাতার থিম ট্রেইল ২০২৬

শেষ যাচাই: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দক্ষিণ কলকাতায় শিল্পনির্ভর পুজো সবচেয়ে ঘন — কালীঘাট থেকে গড়িয়াহাট পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটারের মধ্যে এক ডজন বড় মণ্ডপ। এই রুটটা একদিনেই হয়, তবে সকাল আটটায় শুরু করতে হবে।

বারোটা স্টপ, এই ক্রমে

শুরু: কালীঘাট মেট্রো (নীল লাইন)। শেষ: ম্যাডক্স স্কোয়ার। বেশিরভাগটাই হাঁটা, মাঝে দু-এক জায়গায় অটো।

1বাদামতলা আষাঢ় সংঘ
কালীঘাট · কালীঘাট — 0.6 কিমি
2৬৬ পল্লী
কালীঘাট · রবীন্দ্র সরোবর — 1 কিমি
3দেশপ্রিয় পার্ক
দেশপ্রিয় পার্ক · কালীঘাট — 1.1 কিমি
4ত্রিধারা সম্মিলনী
দেশপ্রিয় পার্ক · কালীঘাট — 1.2 কিমি
5মুদিয়ালি ক্লাব
লেক মার্কেট · রবীন্দ্র সরোবর — 0.8 কিমি
থিম: ‘ঐতিহ্যের লোককথা’ — লোককথা ও তার বহন করা ঐতিহ্য।
6শিবমন্দির সর্বজনীন
লেক মার্কেট · রবীন্দ্র সরোবর — 0.7 কিমি
থিম: ‘পরব’ — রাজস্থানের গণগৌর উৎসব; রাজস্থান না গিয়েই তার স্বাদ। ৯০তম বর্ষ।
7সমাজসেবী সংঘ
লেক টেরেস · রবীন্দ্র সরোবর — 1.2 কিমি
থিম: ‘মহাপুজোয় মহানায়ক’ — উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষে তাঁর ২০৮টি ছবির পোস্টার দিয়ে গড়া মণ্ডপ, সঙ্গে বিশেষ আবহসঙ্গীত। ৮১তম বর্ষ।
8একডালিয়া এভারগ্রিন ক্লাব
গড়িয়াহাট · কালীঘাট — 2.5 কিমি
থিম: গুজরাটের সোমনাথ মন্দিরের আদলে মণ্ডপ (৮৪তম বর্ষ)।
9সিংহী পার্ক সর্বজনীন
গড়িয়াহাট · রবীন্দ্র সরোবর — 2 কিমি
10বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন
বালিগঞ্জ · কালীঘাট — 2.2 কিমি
থিম: ‘যোজন’ — মানুষে-মানুষে ও চারপাশের সঙ্গে যোগ। মণ্ডপ গড়া হচ্ছে চিপসের প্যাকেট, প্লাস্টিক বোতল, পুরনো ফ্লেক্স ও পুজোর ফুল দিয়ে। শিল্পী সুশান্ত শিবানী পাল। ৭৬তম বর্ষ।
11হিন্দুস্তান ক্লাব
গড়িয়াহাট · কালীঘাট — 2.4 কিমি
থিম: ‘দুর্গাদালান’ — পুরনো বাঙালি বাড়ির থামওয়ালা দালান, যেখানে দুর্গা পূজিত হন। ৬৪তম বর্ষ।
12ম্যাডক্স স্কোয়ার
ম্যাডক্স স্কোয়ার · যতীন দাস পার্ক — 1.2 কিমি

কেন এই ক্রম

বাদামতলা আষাঢ় সংঘ কালীঘাট মেট্রো থেকে ছ’শো মিটার — তাই শুরুটা ওখান থেকেই সহজ। তারপর রাসবিহারীর দিকে উঠলে দেশপ্রিয় পার্ক ও ত্রিধারা পাশাপাশি, তিন মিনিটের হাঁটা। মুদিয়ালি–শিবমন্দির জোড়া, তারপর সমাজসেবী। শেষে গড়িয়াহাটের দিকে একডালিয়া, সিংহী পার্ক ও বালিগঞ্জ কালচারাল — তিনটেই কাছাকাছি।

ম্যাডক্স স্কোয়ার একদম শেষে রাখুন, কারণ ওখানে মণ্ডপের চেয়ে মাঠের আড্ডাই আসল — আর সেটা জমে রাতে।

এই রুটের অর্ধেক পুজোর ২০২৬-এর থিম ইতিমধ্যেই ঘোষিত। সমাজসেবীর ‘মহাপুজোয় মহানায়ক’, বালিগঞ্জ কালচারালের ‘যোজন’ আর একডালিয়ার সোমনাথ মন্দির — এই তিনটেয় ভিড় সবচেয়ে বেশি হবে বলে ধরে রাখুন।

ভিড়ের হিসেব

সময়অবস্থা
ভোর ৫–৯সবচেয়ে ফাঁকা, বড় থিমেও লাইন নেই
সকাল ৯–১মাঝারি — পরিবার নিয়ে সেরা সময়
দুপুর ১–৫ভিড় কম, তবে গরম
সন্ধ্যা ৬–১১সর্বোচ্চ — বড় পুজোয় ১–২ ঘণ্টা লাইন
রাত ১১–৩আবার কমে; সপ্তমী–নবমী মেট্রো রাতভর

খাওয়ার জায়গা

রুটের গায়েই আছে ভজহরি মান্না (গড়িয়াহাট), ৬ বালিগঞ্জ প্লেস, কষে কষা (গোলপার্ক), বিজলি গ্রিল (দেশপ্রিয় পার্ক) আর আজাদ হিন্দ ধাবা (লেক মার্কেট)। মিষ্টির জন্য গাঙ্গুরাম বা সেন মহাশয়।

📍 অ্যাপে ১৯২টি মণ্ডপ খুলুন — রুট, সময় ও থিম এক জায়গায়

আরও পড়ুন